বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে সবসময়ই কৌতূহল থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে টানা দুই দফা কমার পর দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণালংকারের দামে বড় ধরনের লাফ দেখা গেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর এই নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
শনিবার (২৭ জুন) সকালে বাজুসের পক্ষ থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির এই তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, বর্ধিত এই নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই সারা দেশে কার্যকর হবে।
স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির মূল কারণ হঠাৎ করে কেন এই মূল্যবৃদ্ধি, সে বিষয়ে বাজুসের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের বা পিওর গোল্ডের মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। সার্বিক বাজার পরিস্থিতি ও স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ স্বর্ণের এই ঊর্ধ্বমুখী মূল্যের বিষয়টি বিবেচনা করে ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারের নতুন দাম নির্ধারণ করতে বাধ্য হয়েছে সংগঠনটি। ফলে দেশের বাজারে যারা স্বর্ণ কেনার বা গহনা বানানোর পরিকল্পনা করছিলেন, তাদের এখন আগের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে।
নতুন দামের বিস্তারিত তালিকা (ভ্যাটসহ) বাজুসের নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, দেশের বাজারে বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে। নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
টানা দুই দফা কমার পর এই বড় লাফ সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণের বাজার বেশ অস্থিতিশীল অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর আগে ২৫ জুন ও ২৪ জুন টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাজুস, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বেশ স্বস্তিদায়ক ছিল।
মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দামে এমন দ্রুত ওঠানামা দেশের জুয়েলারি বাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। ২৪ ও ২৫ তারিখে দাম কমার পর ক্রেতাদের মধ্যে যে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছিল, ২৭ জুনের এই বিশাল মূল্যবৃদ্ধির ফলে বাজারের চিত্র আবারও বদলে গেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সব সময়ই স্থানীয় তেজাবি স্বর্ণের দামের ওপর নির্ভর করে স্বর্ণের বাজারদর সমন্বয় করে থাকে। নতুন এই দাম আজ সকাল ১০টা থেকে সারা দেশের সব জুয়েলারি দোকানগুলোতে কার্যকর বলে গণ্য হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দামেই স্বর্ণ কেনাবেচা চলবে।